কীভাবেই বা প্রাতিষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে আগল খুলে হুড়মুড়িয়ে বেরিয়ে এসে ভাষা পায় প্রতিবাদ
নাট্য-সাহিত্যে-সর্বত্রই তিনি মানবজীবনের অনিবার্য মুক্তিসাধনার কথাই বলেছেন।
রাঢ়ের মাটি আর মানুষের আখ্যান নিয়ে 'যিখানে মাটি লালে লাল'। ‘সেই মানুষ যারা একদিন দাঁতে দাঁত দিয়ে কাঁধে কাঁধ দিয়ে পাথরের পারা গতর লিয়ে বুনা মাটির দেশে দেশে পাহাড়ে পাহাড়ে বনে বনে গোরা পল্টনের সায়েবদের কাছে ঝিঙ্গাফুলা বাঘের পারা গাঙাই বলেছিল ‘দেলায়া বিরিদ পে দেলায়া তিন পে’ শালা ই দ্যাশ আমার ই মাটি আমার তরা আমার মাকে কাড়েছিস আমরা তাদের জিউ লিয়ে ছাড়ব। লাল ধুলোর রুক্ষ কাকুরে মাটিতে মিশে থাকে এরকমই এক অনতিক্রম্য পৌরুষ। এ মাটির পরতে পরতে জমে থাকে অপরাজেয় জীবন সংগ্রামের এক দুর্দৰ্য্য জেদ
আত্মার যে স্পন্দন অনুভূত হয়— এ গ্রন্থে অনুদিত ত্রয়ী উপনিষদের সীমার মধ্যে ছন্দানুবাদের মাধ্যমে সহজ ভাবে তা ব্যক্ত হয়েছে।প্রাঞ্জলতায় ও ছন্দসুষমায় এ গ্রন্থ হয়ে উঠতে পারে পাঠকের দুরূহ পথের প্রিয় সফরসঙ্গী।
কথা বলার ভঙ্গিতে উৎপলকুমার বসুর কাব্য সংকেত ধরা পড়েছে ছোটো ছোটো এইসব লেখাগুলিতে। সব মিলিয়ে কবিকেও। এই বই তাই শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে উৎপলকুমার বসু-র কবিতায় প্রবেশের এক সদর দরজা।
নাট্যলোকে রবীন্দ্রনাথ জ্যোতির্ময় দত্ত কীভাবেই বা প্রাতিষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে আগলNatyaloke Rabindranath : : 224 , , , , , , , , (cm) : 14 (l) X 21. 5 (b) X 2 (h)